Archive for অগাষ্ট, 2012

অগাষ্ট 5, 2012

লন্ডন অলিম্পিক ভিলেজে দেড় লাখ কনডম বিতরণ


অলিম্পিক শুরুর পর লন্ডনের বুকে শুরু হয় ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। লন্ডন অলিম্পিক গেমস আয়োজক কমিটির সবচেয়ে বড় চিন্তা যৌনতা। তাদের এ চিন্তার বড় কারণ ‘সেক্স ইন অলিম্পিক’। সংক্ষেপে যার নাম রাখা হয়েছে ‘সেক্সলিম্পিক’।

তবে অলিম্পিকে অসম্ভব চাপ থেকে মুক্তি পেতে অ্যাথলিটরা সেক্সের মাধ্যমে চাপ কাটানোর উপায় খুঁজে নেন বলে অভিহিত করা হয়। অনেক অ্যাথলিটই বলেন, অলিম্পিক ভিলেজ হলো যৌনতার স্বর্গ। আয়োজকরা অবশ্য ব্যাপারটিকে ‘স্পোর্টিংলি’ নেন। আর এবার ভিলেজে দেড় লাখেরও বেশি কনডম বিতরণ করা হয়েছে। আমেরিকার মহিলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক এবং অধিনায়ক হোপ সোলো অলিম্পিকে নিজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে বলেন, ভিলেজে একদিন রাত না কাটালে বোঝাই যাবে না সেখানে কী রকম নোংরামি চলে। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিক ভিলেজে একদিন রাতে ঘুম ভেঙে গেল কী একটা শব্দে।

বাইরে গিয়ে দেখি এক বিখ্যাত বাস্কেটবল খেলোয়াড়ের সঙ্গে এক মহিলা অ্যাথলিট ডাইনিং রুমে যৌনকর্মে ব্যস্ত। কিছুটা দূরেই দেখি আরো কয়েকজন সেই একই কাজ করছে। দেখে মনে হচ্ছে সেক্সের মেলা বসে গিয়েছে। কোনো কোনো মহিলা অ্যাথলিট আবার ইভটিজিংয়ের অভিযোগও করেছেন। যৌনতায় অনিচ্ছুকদের নানাভাবে হয়রানিও করা হয় বলে অভিযোগ।

মার্কিন তারকা সাঁতারু রায়ান লোকেট বলেছেন, অলিম্পিক ভিলেজের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ অ্যাথলিটকেই দেখেছি উদ্দাম যৌনলীলায় মেতে উঠতে। অনেকেই সেক্স করেছে মাঠে, ঘাসে, ডাইনিং রুমে, বাথরুমে…। এতে একটা উৎকট সমস্যাও তৈরি হয়েছিল।

তা হলো রুমসহ সর্বত্র নোংরা ও আবর্জনাময় হয়ে পড়েছিল। আইওসির ভয় এসব শুনে রক্ষণশীল মুসলিম দেশের মহিলা অ্যাথলিটরা আর অলিম্পিকে খেলতে দিতে রাজি হবে কি না! একসঙ্গে ১৭,০০০ অ্যাথলিটদের এক ছাদের তলায় থাকার জন্য তৈরি হয়েছে এই অলিম্পিক ভিলেজ। প্রত্যেক অলিম্পিকেই এই ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।

এই ভিলেজের মাধ্যমেই বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য ছবি ধরা পড়ে। তবে এই ভিলেজ নিয়েই যত ভয়। আসলে মুখে যাই বলা হোক, এই ভিলেজ নিয়ে নানা কথা শোনা যায় অ্যাথলিটদের মুখে। এবার যেমন মজা করে বলা হচ্ছে লন্ডন অলিম্পিক ভিলেজে বসছে সেক্স মেলা।

Advertisements
ট্যাগ সমুহঃ , ,