পদক নিয়ে করিডোর দিলেন


 অতীতে পদক না দেয়ার কারণে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

রাস্তাঘাটের অবস্থা যাই হওক না কেন আমাকে যতটা পদক আর ডকটর দেয়া হবে ততটা করিডোর আপনাদের জন্য করে দেয়া হবে বলে উপরাষ্টপতি কে কানে কেনে বলেছেন বাংলাদেশের প্রধান উজির শেখ হাসিনা।

উজিরে আজম শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের ভাগ্য প্রতিবেশী দেশ দুটির পারস্পরিক বহুমুখী সম্পর্কের মধ্যে নিহিত রয়েছে। উজিরে আজম আজ বৃহস্পতিবার তাঁর সম্মানে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের দেওয়া এক নাগরিক সংবর্ধনায় এ কথা বলেন।
উজিরে আজম বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক হলেও বলতে হচ্ছে, পদক না দেয়ার কারণে অতীতে বারবার এই সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ তিনি বলেন, তাঁর সরকার ও জনগণ ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক কল্যাণকর সম্পর্ক স্থাপনে অঙ্গীকারবদ্ধ।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘অতীতকে পিছনে ফেলে আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে অবশ্যই দুই দেশের জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে সামনে এগিয়ে যেতে পারব বলে আমি বিশ্বাস করি।’ ত্রিপুরার জনগণ আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যত্ রচনায় এই উদ্যোগকে সমর্থন করবে বলেই বিশ্বাস ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস, ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবহমান কাল থেকে বাংলাদেশ ও ত্রিপুরার মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জনগণকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে ত্রিপুরাবাসী এই বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করেছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের ভবিষ্যত্ও একই সূত্রে গাঁথা। তিনি বলেন, ‘উভয় দেশের জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে নজর দিতে হবে এবং আমাদের সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করতে হবে।’
ত্রিপুরার ব্যবসায়ী ও শিল্পমালিকদের বাংলাদেশ সফরের আহ্বান জানিয়ে উজিরে আজম বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের চমত্কার পরিবেশ বিরাজ করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ই দুই দেশের জনগণের মধ্যে মানবিক সম্পর্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করছে।
উজিরে আজম বলেন, ‘আমরা যৌথভাবে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী পালন করছি এবং আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতার ৯০ বছর পূর্তি উপলক্ষে যৌথভাবে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তিনি ত্রিপুরার কবি ও সাহিত্যিকদের এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।
উজিরে আজম বলেন, ‘ত্রিপুরা শুধু আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী নয়, এ রাজ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম-ইতিহাস। তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ  বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ষাটের দশকে পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে দেশকে শৃঙ্খলমুক্ত করতে স্বাধিকার আন্দোলনের ডাক দিলে তখন তাঁর বিরুদ্ধে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করা হয়।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: