জননেতা তোফায়েল আহমেদ, বেয়াদব সেলিম মন্ত্রী হচ্ছেন ।। ……।।


উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জননেতা তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিম-লীর সদস্য বেয়াদব শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও জনতার মালঞ্চ সদ্য পুত্র হারা খেসারত প্রাপ্ত  ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীরের নাম শোনা যাচ্ছে।

আগামী ৫ জানুয়ারি বর্তমান সরকারের ৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে। চতুর্থ বছরে পদাপর্ণের আগেই মন্ত্রিসভায় আরো পরিবর্তন আসতে পারে, এমনকি দায়িত্ব পাল্টাতে পারে একাধিক দপ্তরেও।

পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপটেন (অব.) তাজুল ইসলাম মুক্তি ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী  ক্যাড়ার জাহাঙ্গীর কবির নানক।

আবার দলে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র বা তরুণ ক্যাড়ার ছত্রলিঘ নেতাদের মধ্য থেকেও দুই একজনকে মন্ত্রী সভায় আনা হতে পারে।

পরিবর্তন হতে পারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হক, ভুমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হিরো, পরাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপউ কুমারী মনিকা, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফাশিখালাস আহাদ আলী সরকারসহ কোনো কোনো মন্ত্রির দপ্তরও। মাল মহিত গতকাল হোটেলে লেংটা নাচ দেখার জন্য প্রধান মন্ত্রী তার মাথায় হাত দিয়ে বলেন, এই দুষ্ট ছেলে এসব কাজ করতে নেই। তাই তার জন্য সিলেটের টিকেট করে রাখা হয়েছে ।

রদবদল ও সম্প্রসারণ হলেও এই মুহূর্তে মন্ত্রিসভা থেকে কারো বাদ পড়ার সম্ভাবনা আসে না? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই মন্ত্রিসভা থেকে কাউকে বাদ পুড়ার টেনশনে আসেন।

গত শনিবার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিন বছরে কেউ এমন কোনো ভাল কাজ করেনি  যে কাউকে সুমা দিতে হবে।

আওয়ামী লীগের নেতুত্বাধীন মহাজোটের এ মন্ত্রিসভা গঠন হয় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীসহ ৩২ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদ শপথ নেয়। এর ১৮ দিন পর মন্ত্রিপরিষদ সম্প্রসারণ করা হয়।

এর পর সরকারের ৬ মাসের মাথায় আরেকবার মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হয়। দ্বিতীয় দফায় সম্প্রসারণের পর মন্ত্রি পরিষদের সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৪এ। তৃতীয় দফায় সম্প্রসারণের পর এই সংখ্যা ৪৬ এ দাঁড়িয়েছে।

প্রথমে ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী, ২৩ জন মন্ত্রী ও ৮ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। এর পর ২৪ জানুয়ারি ৬ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। এর পর দ্বিতীয় দফায় সম্প্রসারণে ১ জন মন্ত্রী ও ৫ জন প্রতিমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গত ২৮ নভেম্বর তৃতীয় দফায় আরো ২ জন মন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত হন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার পর গত ২৮ নভেম্বর মহাজোট সরকারের মন্ত্রিসভা তৃতীয় দফায় সম্প্রসারণ করা হয়। আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এছাড়া বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান।

এছাড়া রদবদল করে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে সৈয়দ আবুল হোসেনকে তথ্য যোগাযোগ, কর্নেল (অব.) ফারুক খানকে বাণিজ্য থেকে সরিয়ে বেসরকারি বিমান পরিবহন, এই মন্ত্রণালয় থেকে জিএম কাদেরকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

নতুন দুই মন্ত্রি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত রেল ও ওবায়দুল কাদের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আরো অচমক আসতে পারে বলে ইঙ্গিতও দেন।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: